রবিবার ১ নভেম্বর ২০২৬ - ১০:৫০
ইসলামের দৃষ্টিতে লজ্জাশীলতা বৃদ্ধির কার্যকর উপায়

লজ্জাশীলতার অভাব অনুভব করা কিংবা মহান আল্লাহর প্রতি লজ্জাবোধ ক্রমশ কমে যাওয়ার আশঙ্কা জাগা—এটিই মানুষের আত্মিক জাগরণের প্রথম লক্ষণ। লজ্জাশীলতা কেবল জন্মগত বৈশিষ্ট্য নয়; এটি এমন এক নৈতিক গুণ, যা নিয়মিত চর্চা, আত্মসংযম ও অনুশীলনের মাধ্যমে অর্জন ও বিকশিত করা সম্ভব।

হাওজা নিউজ এজেন্সি: গোপন পাপ এবং পাপের নেতিবাচক পরিণতি সম্পর্কে উদাসীনতা ধীরে ধীরে মানুষের আত্মিক লজ্জাবোধকে দুর্বল করে দেয়। ঈমানের এই সুরক্ষাব্যূহ পুনরায় শক্তিশালী করতে সৎ ও নেককার মানুষের সাহচর্য গ্রহণ, মাসুম ইমামদের (আ.) জীবনাদর্শ অনুসরণ এবং প্রতিদিন নিয়মিত আত্মসমালোচনা করা জরুরি।

প্রশ্ন: কেউ যদি অনুভব করেন, তাঁর মধ্যে পর্যাপ্ত লজ্জাশীলতা নেই, তাহলে তাঁর করণীয় কী?

উত্তর: লজ্জাশীলতা গড়ে তুলতে কয়েকটি বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এর প্রধান উপায় হলো, আল্লাহ যে সর্বদা মানুষের প্রতিটি কাজ সম্পর্কে অবগত—এই উপলব্ধিকে গভীর করা এবং বেশি বেশি তাঁকে স্মরণ করা।

পাশাপাশি পাপের নেতিবাচক পরিণতি নিয়ে চিন্তা করা এবং নিজের আচরণ, কথা ও দৃষ্টির ওপর সতর্ক নজর রাখা জরুরি। এ ছাড়া মাসুম ইমামদের (আ.) জীবনাদর্শ অনুসরণ, সৎ ও যোগ্য মানুষের সাহচর্য গ্রহণ, নিয়মিত আত্মসমালোচনা এবং গোপন পাপ পরিহারের মাধ্যমে লজ্জাশীলতা বৃদ্ধি করা সম্ভব। একই সঙ্গে মানুষের সহজাত মর্যাদা ও সম্মানের বিষয়টি স্মরণে রাখাও এ নৈতিক গুণ বিকাশে সহায়ক।

সূত্র: ইরানের জাতীয় ধর্মীয় প্রশ্নোত্তর কেন্দ্র

Tags

আপনার কমেন্ট

You are replying to: .
captcha